সর্বশেষ সংবাদ ::
FacebookMySpaceTwitterDiggDeliciousStumbleuponGoogle BookmarksRedditNewsvineTechnoratiLinkedinMixxRSS Feed

অফিস

পড়াশোনার জন্য মালয়েশিয়া

শিক্ষা খাত মালয়েশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত হয়ে উঠেছে এখন। মনসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিবেচনায় এ অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ এখন মালয়েশিয়া। উচ্চশিক্ষায় বিভিন্ন কোর্সের পাশাপাশি বিভিন্ন পেশাগত ও বিশেষায়িত কোর্সের সুযোগ আছে এখানে। কম খরচে মানসম্পন্ন কোর্সের সুযোগ তৈরি হওয়ায় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের পছন্দের গন্তব্য এখন মালয়েশিয়া।

 

যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার মত দেশের বিভিন্ন নামজাদা বিশ্ববিদ্যালয় এখানে তাদের শাখা খুলেছে। আর যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানী, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মালয়েশীয় প্রতিষ্ঠানের সাথে একযোগে কোর্স পরিচালনা করছে।

ইংরেজী বহুল প্রচলিত হওয়ায় বিদেশী শিক্ষার্থীদের বিশেষ অসুবিধা হয় না এখানে। জীবনযাপনের ব্যয় কম, বছরে ৩,৭৫০ ডলারের মত।

১০০ টির বেশি দেশের ৫০ হাজারের মত বিদেশী শিক্ষার্থী এখন মালয়েশিয়ায় পড়াশোনা করছে।

 

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংখ্যা (সম্ভাব্য বিদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য):

  • ২০ টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়
  • ২৪ টি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউ
  • ৩৭ টি পাবলিক কমিউনিটি কলেজ
  • ৩৩ টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়
  • ৪টি বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়ে শাখা
  • ৫০০ টি বেসরকারী কলেজ
  • ৩৮ টি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল (যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র এবং অস্ট্রেলীয় ধাঁচের)

 

মালয়েশীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকা: http://en.wikipedia.org/wiki/List_of_universities_in_Malaysia

 

পড়াশোনার জন্য মালয়েশিয়ায় প্রবেশের নিয়মকানুন তেমন জটিল কিছু নয়।

 

স্টুডেন্ট ভিসার শর্ত

  • মালয়েশিয়ার কোন সরকারি বা বেসরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পূর্ণকালীন কোন কোর্সে ভর্তির অনুমতি থাকতে হবে। অবশ্যই ইংরেজি বিষটি কোর্সে অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।
  • পড়াশোনা, থাকা-খাওয়া এবং ভ্রমণ ব্যয় নির্বাহের আর্থিক সঙ্গতি থাকতে হবে।
  • কেবলমাত্র পড়াশোনার জন্য এ ভিসা দেয়া হবে।
  • সুস্বাস্থ্য ও সচ্চরিত্রের অধিকারী হতে হবে।

 

স্টুডেন্ট পাসের জন্য আবেদন পদ্ধতি

মালয়েশীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সমস্ত আবেদন করতে হবে। অনুমোদন এবং স্টুডেন্ট পাস ও ভিসা ইস্যুর কাজটি করে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্ট। তবে চীনের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে অনুমোদন দেয়ার কাজটি করে চীনে মালয়েশীয় দূতাবাস বা কাউন্সিল অব মালয়েশিয়া।

 

শিক্ষার্থীর সাথে পরিবারের সদস্যদের অবস্থান

ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্টের অনুমোদন নিয়ে পুরো কোর্স চলাকালীন সময়ে শিক্ষার্থীর বাবা-মা মালয়েশিয়ায় অবস্থান করতে পারেন। আর পোস্ট গ্রাজুয়েট কোর্সের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে স্বামী/স্ত্রী, সন্তানরাও মালয়েশিয়ায় অবস্থান করতে পারেন।

 

খন্ডকালীন চাকরি

এক সপ্তাহের বেশি ছুটি থাকলে বা সেমিস্টার বিরতির সময় শিক্ষার্থীরা খন্ডকালীন চাকরি করতে পারেন, তবে সেটা সপ্তাহে ২০ ঘন্টার বেশি নয়।

 

ইমিগ্রেশন ও স্টুডেন্ট পাস সংক্রান্ত আরও তথ্যের জন্য মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্টে যোগাযোগ করা যেতে পারে:

 

ফোন: ৬০৩-৮৮৮০১০০০

ফ্যাক্স: ৬০৩-৮৮৮০১২০০

ওয়েবসাইট: www.imi.gov.my

এছাড়া মালয়েশিয়ার উচ্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট: http://www.mohe.gov.my/educationmsia

 

 

ভাষা শিক্ষা

মালয়েশিয়ার ভাষা শেখার জন্য সহায়ক হতে পারে http://www.bahasa-malaysia-simple-fun.com সাইটটি।

 

বিভিন্ন দেশের সাথে মালয়েশিয়ায় পড়াশোনার খরচের তুলনা

 

বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের পছন্দ তালিকার শীর্ষের দিকেই থাকে মালয়েশিয়া। এখানকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর পড়াশোনার মান এর একটি কারণ, আরেকটি কারণ তুলনামূলক কম খরচ। তুলনামূলক খরচের একটি আনুমানিক চিত্র:

 

( ১ মার্কিন ডলার = প্রায় ৩ মালয়েশীয় রিঙ্গিত, এটি আনুমানিক চিত্র। খরচের এ চিত্রটি পরিবর্তনশীল)

 

ফাউন্ডেশন বা প্রি-ইউনিভার্সিটি কোর্স

GCE ‘A’, Level, UK জিসিই, এ লেভেল যুক্তরাজ্য

৩,১৪০ – ৪,৮৬০ ডলার (১৮ মাস)

অসমাট, অস্ট্রেলিয়া

২,৫৭০ – ৩,১৪০ ডলার (১ বছর)

এসএএম, অস্ট্রেলিয়া

২,৫৭০ – ৩,৮৬০ ডলার ( ১ বছর)

কানাডিয়ান প্রি-ইউনিভার্সিটি

৩,৪৩০ – ৪,৪৩০ (১ বছর)

প্রি- ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া

২,২৯০ – ৩,২৩০ ডলার (১ বছর)

 

 

ইংরেজীতে দক্ষতা পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক কোর্সের খরচ

TOEFL

১‌৪৩ – ২২৯ ডলার (২ মাস)

 IELTS

১২৯ – ২২৯ ডলার (২ মাস)

 

ব্যাচেল ডিগ্রির ক্ষেত্রে খরচের তুলনা (ডলারে)

 

 

বেসরকারী কলেজ থেকে বিদেশী ডিগ্রি (৩ বছর মেয়াদী)

বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা থেকে ৩ বছর মেয়াদী কোর্স

মালয়েশিয়ার বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি ( ৩ বছর)

বাণিজ্য

১১,১৫০-১৪,২৯০

13,710 - 24,000

8,570 - 11,430

প্রকৌশল

১২,৮৬০ -১৪,৮৬০

২১,১৪০ – ৪০,০০০

১২,৮৬০ -১৪,২৯০

তথ্য প্রযুক্তি

৯,৭১০ – ১২,৮৬০

১৩,৪৩০ – ২৫,১৪০

৯,৪৩০ – ১২,২৯০

চিকিৎসা

-

১,১৪,২৯০ (৫ বছর)

৬২,৮৬০ – ১০৮,৫৭০ (৫ বছর)

হসপিটালিটি এন্ড ট্যুরিজম

১৩,৭১০ – ১৮,৫৭০

-

১২,০০০ – ১৪,২৯০

 

পেশাগত পরীক্ষা জন্য প্রস্তুতি কোর্সের খরচ (ডলার)

 ACCA

৩,২৯০ – ৪,২৯০

CIMA

৩,৭১০ – ৪,৫৭০

ICSA

২,৮৬০ – ৩,৪৩০

 

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পোস্টগ্রাজুয়েট কোর্সের খরচ (ডলারে)

MBA

৫,৭১০ -১৬,৭৪০

Ph.D

৩,০০০ – ১০,৮৬০

 

 

৩ বছর মেয়াদী কম্পিউটার বিজ্ঞান কোর্সের ক্ষেত্রে খরচের তুলনা (ডলারে)

-

মালয়েশিয়ায় অস্ট্রেলীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা

অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়

টিউশন ফি

৮,৬৫০

১৭,০০০

জীবনযাত্রার খরচ

৪,২৯০ – ৫,৭১০

১৪,২৯০ – ১৬,৪৩০

স্বাস্থ্য বীমা

৬০

২৫০

বাৎসরিক শিক্ষাব্যয় (গড়)

১৩,৬৭০

৩২,৪৪০

মোট খরচ

৪১,০১০

৯৭,৩৩০

 

 কলা কিংবা বাণিজ্য বিভাগের বিষয়গুলোয় ব্যাচেলর প্রোগ্রামে পড়াশোনায় বিভিন্ন দেশে বাৎসরিক খরচের তুলনা (ডলার)

দেশ

টিউশন ফি

জীবনযাত্রার খরচ

মোট খরচ

অস্ট্রেলিয়া (পাবলিক)‌

৮,৫০০

৮,৫০০

১৭,০০০

কানাডা (পাবলিক)

৭,৫০০

৯,০০০

১৬,৫০০

ফ্রান্স (পাবলিক)

সামান্য

১৩,০০০

১৩,০০০

মালয়েশিয়া (প্রাইভেট)

৪,৬০০

৪,০০০

৯,০০০

নিউজিল্যান্ড (প্রাইভেট)

১০,০০০

১১,৫০০

২১,৫০০

সিঙ্গাপুর (প্রাইভেট)

৬,৫০০

১০,০০০

১৬,৫০০

যুক্তরাজ্য (পাবলিক)

১৪,০০০

১২,৫০০

২৬,৫০০

যুক্তরাষ্ট্র (পাবলিক)

১৩,০০০

১২,০০০

২৫,০০০

যুক্তরাষ্ট্র (প্রাইভেট)

২২,০০০

১৩,০০০

৩৫,০০০

 

আরো কিছু বিস্তারিত তথ্য:

● মালয়েশিয়ায় উচ্চ শিক্ষা

● এক নজরে মালয়েশিয়া

● মালয়েশীয় ভিসা আবেদনের নিয়ম

● চিকিৎসার জন্য মালয়েশিয়া যাওয়া

● মালয়েশিয়ার হোটেল

● মালয়েশিয়ায় বেড়ানো

● মালয়েশীয় ভিসা আবেদন কোথায় জমা দেবেন

● মালয়েশিয়া যাওয়ার আগে যা জানা থাকা ভালো

● মালয়েশিয়া ভ্রমণে প্রয়োজনীয় কয়েকটি সাইট

● ঢাকাস্থ মালয়েশিয়া হাই কমিশন

● মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাই কমিশন

মালয়েশীয় ভিসা আবেদনের নিয়ম

malaysia visa

কেবলমাত্র বিমানবন্দরের মাধ্যমে বৈধভাবে মালয়েশিয়া প্রবেশ করা যায়।

মালয়েশিয়া সরকার প্রধানত দুধরনের ভিসা দেয়:

রেফারেন্স ছাড়া ভিসা (Visa Without Reference, VWTR): বিভিন্ন দেশে মালয়েশীয় মিশন থেকে এ ধরনের ভিসা ইস্যু করা হয়।

রেফারেন্স সহকারে দেয়া ভিসা (Visa with reference, VWR): মালয়েশীয় ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্টের অনুমোদনের মাধ্যমে ভিসা ইস্যু করা হয়।

 

কিছু বিশেষ তথ্য

  • মালয়েশিয়া প্রবেশের আগেই মালয়েশিয়া কনস্যুলেট বা দূতাবাস থেকে ভিসা সংগ্রহ  করতে হবে।
  • কেবলমাত্র বিমানবন্দরের মাধ্যমে মালয়েশিয়া প্রবেশ করা যায়।
  • মালয়েশীয় ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্টের মহাপরিচালক বা উপ মহাপরিচালকের অনুমোদন ছাড়া সোস্যাল বা বিজনেস কার্ডের মেয়াদ বাড়ানো যায় না।

 

রেফারেন্স ছাড়া ভিসার শর্ত

  • রেফারেন্স ছাড়া ইস্যু করা ভিসার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১৪ দিন অবস্থানের অনুমতি দেয়া হয়,  মেয়াদ বৃদ্ধির কোন সুযোগ নেই। আর ট্রানজিট ভিসার মেয়াদ অনেক কম থাকে।
  • যিনি মালয়েশিয়া ভ্রমণে যাচ্ছেন তিনি কোন দেশ থেকে যাচ্ছেন বা তিনি যে দেশে বসবাস করেন সে দশে ফেরার বিমান টিকেট থাকতে হবে। অবশ্য যদি মালয়েশিয়া ভ্রমণের পর অন্য দেশে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকে তবে সে দেশে যাওয়ার বিমান টিকেট দেখালেই হবে।

 

রেফারেন্সসহ ভিসার শর্ত

  • কেবলমাত্র ব্যবসা ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত ক্ষেত্রে এই  ভিসা ইস্যু করা হয়।
  • ভ্রমণটি মালয়োশীয় কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে স্পন্সর করতে হবে। যে প্রতিষ্ঠান স্পন্সর করবে সেটিকে অবশ্যই একটি প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান হতে হবে এবং ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্টে ফর্ম ৯, ২৪ এবং ৪৯ জমা দিতে হবে।
  • স্পন্সরকে জনপ্রতি দুই হাজার মালয়েশীয় রিঙ্গিত জামানত হিসেবে জমা দিতে হবে।
  • ভ্রমণকারী সর্বোচ্চ ৩০ দিন অবস্থান করতে পারবেন এবং মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ নেই।

 

 মালয়েশিয়ায় ভিসা আবেদনের জন্য যেসব কাগজপত্র লাগবে 

ভিসা আবেদন ফরমটি www.imi.gov.my সাইট থেকে ডাউনলোড করে নিয়ে যথাযথভাবে পূরণ করে জমা দিতে হবে। সরাসরি ভিসা আবেদন গ্রহণ করা হয় না। ২৫টি অনুমোদিত এজেন্সীর মাধ্যমে ভিসা আবেদনপত্রটি জমা দিতে হবে। আর ভিসা ইস্যু করার বিষয়টি দূতাবাসের ওপর নির্ভরশীল।

 

প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি:

  • সাদা পটভূমিতে (ব্যাকগ্রাউন্ড) দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি; ছবিগুলোর স্টুডিও প্রিন্ট হতে হবে।
  • পাসপোর্টের মেয়াদ অন্তত ৬ মাস হতে হবে এবং পাসপোর্টে অন্তত তিনটি ধারাবাহিক খালি পৃষ্ঠা থাকতে হবে।
  • পাসপোর্টের ফটোকপি ও মূলকপি।
  • আগে মালয়েশিয়া ভ্রমণ করে থাকলে ভিসার কপি।
  • ফিরতি বিমান টিকেটের কপি।
  • আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ হিসেবে অন্তত তিন মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট, সাথে ব্যাংক সলভেন্সি স্টেটমেন্ট। বাংলাদেশর বাইরে অবস্থানরতদের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড।
  • ভ্রমণের কারণ উল্লেখ করে করা আদেনপত্র।
  • কারো আমন্ত্রণে মালয়েশিয়া গেলে আমন্ত্রণপত্র বা রেফারেন্স লেটার।
  • বাংলাদেশে বসবাস করছেন অথচ বাংলাদেশী নন এমন আবেদনকারীর ক্ষেত্রে চাকরি এবং বাংলাদেশে থাকর অনুমতিপত্র দেখাতে হয়।

 

ভিসা ফি:

  • বাংলাদেশী পাসপোর্টধারীদের ক্ষেত্রে ৩,১০০ টাকা,
  • চীনা পাসপোর্টধারীদের ক্ষেত্রে ৩,৩০০ টাকা,
  • ভারতীয় পাসপোর্টধারীদের ক্ষেত্রে ৩,৮০০ টাকা,
  • অন্যান্য দেশের পাসপোর্টধারীদের ক্ষেত্রে, ৩,১০০ টাকা।

অন্যান্য:

ভিসা আবেদন সকাল ৮:৪৫ থেকে ১০:৩০ এই সময়ের মধ্যে জমা দিতে হয়।

ভিসা ডেলিভারীর সময় দুপুর ৩ টা থেকে বিকাল ৫ টা।

ভিসা আবেদনের পর ভিসা পেতে ১০ দিনের মত সময় লাগে।

 

আরো কিছু বিস্তারিত তথ্য:

● এক নজরে মালয়েশিয়া

● মালয়েশিয়ায় উচ্চ শিক্ষা

পড়াশোনার জন্য মালয়েশিয়া যাওয়া

● চিকিৎসার জন্য মালয়েশিয়া যাওয়া

● মালয়েশিয়ার হোটেল

● মালয়েশিয়ায় বেড়ানো

● মালয়েশীয় ভিসা আবেদন কোথায় জমা দেবেন

● মালয়েশিয়া যাওয়ার আগে যা জানা থাকা ভালো

● মালয়েশিয়া ভ্রমণে প্রয়োজনীয় কয়েকটি সাইট

● ঢাকাস্থ মালয়েশিয়া হাই কমিশন

● মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাই কমিশন

এক নজরে মালয়েশিয়া

নানা বর্ণ, ধর্ম আর সংস্কৃতির মানুষের দেশ মালয়েশিয়া। মিনি এশিয়াও বলেন অনেকে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কেন্দ্রে দেশটির অবস্থান। প্রধানত দু’টি খন্ডে বিভক্ত দেশটি; পশ্চিম মালয়েশিয়া এবং পূর্ব মালয়েশিয়া। প্রায় ৪০ মাইল বিস্তৃত সমুদ্র আলাদা করে রেখেছে দেশটির দুই অংশকে। মোট আয়তন ৩,২৯,৭৫৪ বর্গ কিলোমিটার। পূর্ব মালয়েশিয়ায় রয়েছে দু’টি বড় রাজ্য এবং একটি কেন্দ্র নিয়ন্ত্রিত এলাকা। আর পশ্চিম মালয়েশিয়ায় রয়েছে ১১ টি রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত এলাকা।

 

  • স্থানীয় সময়: জিএমটি +৮
  • মুদ্রা: রিঙ্গিত
  • টেলিফোন ডায়ালিং কোড: +৬০
  • কান্ট্রি ডোমেইন: .my
  • বিদ্যুৎ সরবরাহ: ২২০-২৪০ ভোল্ট/৫০ হার্জ
  • পরিমাপ পদ্ধতি: মেট্টিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
  • টেলিফোন কল: কয়েন বা প্রিপেইড কার্ডের মাধ্যমে স্থানীয় ও অন্তর্জাতিক কল করা যায়।

 

আবহাওয়া

সারাবছর ধরেই উষ্ণ এবং আর্দ্র আবহাওয়া বিরাজ করে। আবহাওয়ার বড় ধরনের পরিবর্তন বা প্রাকৃতিক দূর্যোগ খুব একটা হয় না। দিনে তাপমাত্রা থাকে ৩০ সে. এর মত আর রাতে ২২ সে. এর মত। হালকা এবং সূতি আটপৌরে পোশাকই সুবিধাজনক এখানে।

 

খাবার এবং সংস্কৃতি

এশিয়ার খাদ্য স্বর্গ হিসেবে পরিচিত দেশটি। নানা বর্ণ, ধর্ম আর সংস্কৃতির মানুষের অবস্থানের ফলে এখানকার খাবারও বেশ বৈচিত্রময়। মালয়, চাইনীজ এবং ভারতীয় নানা ধরনের খাবার বিভিন্ন রোস্তোরাঁ এবং পথের পাশের স্টলে খুব কম দামে পাওয়া যায়। এছাড়া রয়েছে মধ্যপ্রাচ্য এবং থাইল্যান্ডের খাবার। নানা সংস্কৃতির মানুষের নানা উৎসবের মাধ্যমে মালয়েশিয়ার সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্যটি ফুটে ওঠে।

 

আনুষ্ঠানিক ভাষা বাহাসা মালয়েশিয়া। তবে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষ নিজ নিজ ভাষায় কথা বলে। দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে স্কুল পর্যায় থেকেই ইংরেজী শেখানো হয়। দৈনন্দিন যোগাযোগ এবং ব্যবসায়িক প্রয়োজনে ইংরেজীর বহুল ব্যবহার আছে।

 

দেশটির আনুষ্ঠানিক ধর্ম ইসলাম। তবে সকল ধর্মের মানুষ ধর্মীয় আচার পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীনতা ভোগ করে।

 

দেশটিতে সাংঘাতিক অপরাধ সংঘটনের হার বেশ কম।

 

অর্থনীতি

পাম ওয়েল, রাবার, প্রাকৃতিক গ্যাস, কাঠ, কোকো বীজ, ইত্যাদি দেশটির প্রধান রপ্তানী পণ্য। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের বৈদ্যুতিক সামগ্রী উৎপাদন ও রপ্তানীর ক্ষেত্রেও শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর কাতারে রয়েছে মালয়েশিয়া।

 

শিক্ষা

শিক্ষা খাত মালয়েশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত হয়ে উঠেছে এখন। মনসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিবেচনায় এ অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ এখন মালয়েশিয়া। উচ্চশিক্ষায় বিভিন্ন কোর্সের পাশাপাশি বিভিন্ন পেশাগত ও বিশেষায়িত কোর্সের সুযোগ আছে এখানে। কম খরচে মানসম্পন্ন কোর্সের সুযোগ তৈরি হওয়ায় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের পছন্দের গন্তব্য এখন মালয়েশিয়া।

 

যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার মত দেশের বিভিন্ন নামজাদা বিশ্ববিদ্যালয় এখানে তাদের শাখা খুলেছে। আর যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানী, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মালয়েশীয় প্রতিষ্ঠানের সাথে একযোগে কোর্স পরিচালনা করছে।

 

ইংরেজী বহুল প্রচলিত হওয়ায় বিদেশী শিক্ষার্থীদের বিশেষ অসুবিধা হয় না এখানে। জীবনযাপনের ব্যয় কম, বছরে ৩,৭৫০ ডলারের মত।

 

১০০ টির বেশি দেশের ৫০ হাজারের মত বিদেশী শিক্ষার্থী এখন মালয়েশিয়ায় পড়াশোনা করছে।

 

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংখ্যা (সম্ভাব্য বিদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য):

  • ২০ টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়
  • ২৪ টি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউ
  • ৩৭ টি পাবলিক কমিউনিটি কলেজ
  • ৩৩ টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়
  • ৪টি বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়ে শাখা
  • ৫০০ টি বেসরকারী কলেজ
  • ৩৮ টি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল (যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র এবং অস্ট্রেলীয় ধাঁচের)

 

মালয়েশীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকা: http://en.wikipedia.org/wiki/List_of_universities_in_Malaysia

 

যোগাযোগ

আকাশপথ, সমুদ্র বা স্থলপথে যোগাযোগ ব্যবস্থার বিবেচনায় বলা যায় উন্নত দেশগুলোর মতই সুবিধা রয়েছে মালয়েশিয়ায়। উন্নত পরিবহন ব্যবস্থার বদৌলতে সহজেই যাওয়া যায় বিভিন্ন গন্তব্যে। বিশ্বের প্রতিটি প্রান্ত থেকে উড়ে আসা বিমান অবতরণ করে মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে।

 

আরো কিছু বিস্তারিত তথ্য:

মালয়েশীয় ভিসা আবেদনের নিয়ম

পড়াশোনার জন্য মালয়েশিয়া যাওয়া

● চিকিৎসার জন্য মালয়েশিয়া যাওয়া

● মালয়েশিয়ার হোটেল

● মালয়েশিয়ায় বেড়ানো

● মালয়েশীয় ভিসা আবেদন কোথায় জমা দেবেন

● মালয়েশিয়া যাওয়ার আগে যা জানা থাকা ভালো

● মালয়েশিয়া ভ্রমণে প্রয়োজনীয় কয়েকটি সাইট

● ঢাকাস্থ মালয়েশিয়া হাই কমিশন

● মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাই কমিশন

 

 

 

নেদারল্যান্ডে বাংলাদেশী দূতাবাস

Embassy of the People's Republic of Bangladesh

Wassenaarseweg 39, 2596 CG The Hague

The Netherlands

টেলিফোন:         +31 (0) 70- 328 3722

আন্তর্জাতিক টেলিফোন ডায়ালিং কোড: +31-70 (The Hague)

ফ্যাক্স:     +31 (0) 70- 328 3524

ই-মেইল:  This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.

ওয়েবসাইট:  http://www.bangladeshembassy.nl/

অফিস সময়:  সকাল ০৯  টা থেকে বিকাল ০৫ টা

স্থানীয় সময়:GMT+1 hrs [২৭ অক্টোবর ২০‌১৩ থেকে (Standard time)]

                    GMT+2 hrs [৩১ মার্চ ২০১৩ থেকে (Daylight saving time)]

সাপ্তাহিক বন্ধ: শনিবার ও রবিবার।

নেদারল্যান্ড দূতাবাস

বাড়ি - ৪৯,  সড়ক - ৯০, গুলশান - ২,  ঢাকা।

ফোন:+880 2 9842 715-18, +880 2 9881 647-50

জরুরী ফোন (অফিস সময়ের বাইরে): +880 171-3035 327

ফ্যাক্স: +880 2 8823 326

ইমেইল: This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.           

ওয়েবসাইট:  http://bangladesh.nlembassy.org/

অফিস সময়: সকাল ৮:০০ টা থেকে বিকাল ৪:০০ টা

সাপ্তাহিক বন্ধ: শুক্রবার ও শনিবার

সেনজেন ভিসা

 senjon visa

ইউরোপীয় দেশগুলোকে নিয়ে একটি একীভূত অঞ্চল তৈরি করে দেশগুলোর মধ্যে মানুষের যাতায়াত সহজ করা লক্ষ্য নিয়ে ১৯৮৫ সালে লুক্সেমবার্গের সেনজেন শহরে একটি চুক্তি সাক্ষর করে কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ। বলা যায় সেই চুক্তির ধারাবাহিকতাতেই সৃষ্টি হয়েছে সেনজেন এলাকা এবং সেনজেন ভিসা। ইউরোপের অধিকাংশ এলাকা এই সেনজেন অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত এবং কেবল সেনজেন ভিসা নিয়েই ৯০ দিনের জন্য বেড়ানো বা ব্যবসা সংক্রান্ত প্রয়োজনে ইউরোপ ঘুরে আসা যায়।

সেনজেন ভিসার আওতাভুক্ত দেশগুলো:

  • অস্ট্রিয়া
  • আইসল্যান্ড
  • ইতালি
  • এস্তোনিয়া
  • গ্রিস
  • চেক রিপাবলিক
  • জার্মানি
  • ডেনমার্ক
  • নেদারল্যান্ড
  • নরওয়ে
  • পোল্যান্ড
  • পর্তুগাল
  • ফ্রান্স
  • ফিনল্যান্ড
  • বেলজিয়াম
  • মাল্টা
  • লুক্সেমবার্গ
  • লাতভিয়া
  • লিথুয়ানিয়া
  • স্পেন
  • স্লোভাকিয়া
  • স্লোভেনিয়া
  • সুইজারল্যান্ড
  • সুইডেন
  • হাঙ্গেরি

এই সবগুলো দেশেই বেড়ানো বা ব্যবসা সংক্রান্ত প্রয়োজনে সেনজেন ভিসা নিয়ে যেতে পারেন বাংলাদেশিরা। সেনজেন ভিসা নিয়ে সর্বোচ্চ ৯০ দিন ইউরোপে অবস্থান করা যায় এবং ভিসার মেয়াদ ছয় মাস। ভিসার মেয়াদ থাকাকালীন সময়ে একই ভিসা ব্যবহার করে বারবার সেনজেন এলাকার দেশগুলোতে প্রবেশ করা যায় তবে সব মিলিয়ে ৯০ দিনের বেশি সেখানে অবস্থান করা যাবে না।

 

ভিসা নেয়ার সময় গন্তব্য উল্লেখ করতে হয়। বাংলাদেশি ভ্রমণকারীরা ঢাকার যেসব কূটনৈতিক মিশন থেকে ভিসা সংগ্রহ করতে পারেন:

ফ্রান্স দূতাবাস: ফ্রান্সের ওভারসীজ টেরিটরি মনাকো এবং এন্ডোরা এবং বুরকিনা ফাসো, মধ্য আফ্রিকা, ডিজিবুতি, গ্যাবন, আইভরি কোস্ট, মৌরিতানিয়া, সেনেগাল, টগো এসব দেশে মূল গন্তব্য হলেও ফ্রান্স দূতাবাসের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।
চেক রিপাবলিক: চেক রিপাবলিকে ফ্যামিলি ও ভিজিট ভিসার জন্য দিল্লীতে চেক রিপাবলিকের হাই কমিশনে যোগাযোগ করতে হবে।
জার্মান দূতাবাস: জার্মানি ও এস্তোনিয়া ভ্রমণের জন্য জার্মান দূতাবাসে যোগাযোগ করতে হবে।
ইতালি দূতাবাস: ইতালি, গ্রিস ও মাল্টা ভ্রমণের জন্য ইতালি দূতাবাসে যোগাযোগ করতে হবে।
সুইডেন দূতাবাস: সুইডেন, ডেনমার্ক, আইসল্যান্ড, ফিনল্যান্ড, নরওয়ে, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, পোল্যান্ড, লাতভিয়া, নেদারল্যান্ড এবং স্লোভেনিয়া ভ্রমণের জন্য সুইডেন দূতাবাসে যোগাযোগ করতে হবে।
সুইজারল্যান্ড দূতাবাস: সুইজারল্যান্ড ভ্রমণের জন্য সুইজারল্যান্ড দূতাবাসে যোগাযোগ করতে হবে।
স্পেন দূতাবাস: স্পেন ভ্রমণের জন্য স্পেন দূতাবাসে যোগাযোগ করতে হবে।

ভিসা আবেদন যেভাবে করতে হবে:

ভিসা আবেদন ফরমের দু’পাশে প্রতিটি ঘর পূরণ করতে হবে। কোন ঘর ফাঁকা থাকলে বা ভুল তথ্য থাকলে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়াকরণ করা হয় না। আবেদন ফরমের এক কপি জমা দিলেই চলবে আর তাতে অবশ্যই তারিখসহ সাক্ষর থাকতে হবে।

 

আবেদন ফরমের সাথে যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন হবে:

  • সাম্প্রতিক তোলা দুই কপি ছবি। সাদা পটভূমিতে ছবি তুলতে হবে, চোখে কালো চশমা বা মাথায় টুপি জাতীয় কিছু রাখা যাবে না আর ছবিতে অবশ্যই পুরো মুখমণ্ডল আসতে হবে।
  • ভ্রমণ শেষ হওয়ার পরও অন্তত ছয় মাস মেয়াদ আছে এমন পাসপোর্ট জমা দিতে হবে।
  • পাসপোর্টের ডাটা পেজগুলোর পরিষ্কার ফটোকপি যুক্ত করতে হবে।
  • সবগুলো সেনজেন দেশে প্রযোজ্য এবং অন্তত ৩০ হাজার ইউরো মূল্যমানের স্বাস্থ্য বীমা প্রয়োজন হবে।
  • জমা দেয়া প্রতিটি কাগজের মূলকপির সাথে একটি করে ফটোকপিও দিতে হবে।
  • কোন কাগজ বাংলায় থাকলে সেটার সাথে ইংরেজি বা জার্মান অনুবাদও যুক্ত করতে হবে।

বিজনেস ভিসার জন্য যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন হবে:

  • ভ্রমণকারী যে দেশে যেতে চাইছেন সে দেশের কোম্পানির পাঠানো আমন্ত্রণপত্রের মূলকপি প্রয়োজন হবে। এই আমন্ত্রণপত্র অবশ্যই ইংরেজি বা জার্মান ভাষায় হতে হবে।
  • ভ্রমণকারী বাংলাদেশের যে কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের তরফ থেকে ভ্রমণে যাচ্ছেন সে কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের তরফে ভ্রমণের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করে লেখা চিঠি জমা দিতে হবে। প্রতিষ্ঠানের মালিকের জন্যও একই নিয়ম প্রযোজ্য।
  • বিগত তিন মাসে কোম্পানির ব্যাংক হিসাব বিবরণী।
  • কোম্পানির সার্টিফিকেট অফ ইনকর্পোরেশন অথবা মেমোরেন্ডাম এন্ড আর্টিকেলস অব এসোসিয়েশন (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।
  • ট্রেড লাইসেন্স
  • বাংলাদেশে এবং বাইরে লেনদেনের তথ্য (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।
  • ম্যারেজ সার্টিফিকেট, বার্থ সার্টিফিকেট এবং সন্তান সন্ততির তথ্য (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

সেনজেন দেশগুলো আয়োজিত বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে আরও অতিরিক্ত কিছু কাগজপত্র প্রয়োজন হবে:

  • হোটেলের ঠিকানাসহ হোটেল রিজার্ভেশন এবং
  • স্টল বরাদ্দ হয়ে থাকলে এক্সিবিটর পাস।

বন্ধুবান্ধব বা পরিবারের সদস্যের সাথে দেখা করতে যেতে যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন হবে:

  • যার সাথে দেখা করতে যাওয়া হচ্ছে তার সাক্ষরিত গ্যারান্টর ফরম,
  • ম্যারেজ সার্টিফিকেট, বার্থ সার্টিফিকেট এবং সন্তান সন্ততির তথ্য (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে),
  • হোটেল বুকিং (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)। হোটেল বুকিং কনফার্মেশনের ই-মেইল প্রিন্ট আউট গৃহীত হয় না।
  • অন্তত বিগত তিন মাস সময়কালে ব্যক্তিগত হিসাব বিবরণী,
  • ভ্রমণকারী যার সাথে দেখা করতে যাচ্ছেন তার সাথে সম্পর্কর প্রমাণপত্র এবং
  • ফ্লাইট রিজার্ভেশন কপি।

ভ্রমণ ভিসার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:

  • হোটেল বুকিং (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)। হোটেল বুকিং কনফার্মেশনের ই-মেইল প্রিন্ট আউট গৃহীত হয় না।
  • ভ্রমণকারী কোন কোন জায়গায় ভ্রমণ করতে চলেছেন তার বিস্তারিত।
  • ম্যারেজ সার্টিফিকেট, বার্থ সার্টিফিকেট এবং সন্তান সন্ততির তথ্য (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।
  • অন্তত বিগত তিন মাস সময়কালে ব্যক্তিগত হিসাব বিবরণী।

শিশুদের ক্ষেত্রে:

বাবা-মা বা বৈধ অভিভাবকের অনুমতিপত্র জমা দিতে হবে। এছাড়া শিশুদের ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে বাবা-মা বা অভিভাবকে অবশ্যই দূতাবাসে উপস্থিত থাকতে হবে।

 

এয়ারপোর্ট ট্রানজিট ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:

  • সেনজেন এলাকা ছাড়ার পর ভ্রমণকারী যে দেশে যাচ্ছেন সে দেশের ভিসা,
  • ফ্লাইট রিজার্ভেশন,
  • প্রথমবার ভ্রমণের ক্ষেত্র বিজনেস ভিসা সংক্রান্ত সব ধরনের কাগজপত্র প্রয়োজন হবে,
  • ট্রানজিট ভিসার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবীমা প্রয়োজন হয় না।

প্রয়োজনীয় তথ্য

  • ভ্রমণের নির্ধারিত তারিখের চার থেকে ছয় সপ্তাহ আগে ভিসা আবেদনপত্র জমা দেয়া উচিত।
  • সাধারণত ৭ কর্মদিবসের মধ্যেই সেনজেন ভিসা ইস্যু হয়ে যায়। তবে কাগজপত্র যাচাইয়ের প্রয়োজন হলে ৪ সপ্তাহ পর্যন্ত লাগতে পারে।
  • ভিসা ইস্যু হওয়ার পর পাসপোর্ট সংগ্রহের সময়ই ভিসা কিভাবে দেয়া হয়েছে সেটা দেখে নেয়া উচিত। কোন সমস্যা থাকলে সাথে সাথেই ভিসা কাউন্টারে জানাতে হবে।
  • নকল বা জালিয়াতি করা পাসপোর্ট জমা দিলে সেগুলো জব্দ করে বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেয়া হয়।
  • শুধু ভিসা আবেদনের সময়ই নয়, সেনজেন এলাকার দেশগুলোতে প্রবেশের সময়ও আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ দেখাতে হয়। সেনজেন ভিসাই সেনজেন এলাকায় প্রবেশের একমাত্র নিশ্চয়তা নয়।
  • প্রতিটি ভিসার জন্য ৬০ ইউরো সমপরিমাণ টাকা এডমিনিস্ট্রেশন ফি হিসেবে জমা দিতে হয়। ভিসা সাক্ষাতকারের পরপরই এই ফি দিতে হয়।
  • দূতাবাসে ভ্রমণের আমন্ত্রণপত্র না পাঠিয়ে ভিসা আবেদনকারীর কাছে আমন্ত্রণপত্র পাঠাতে হবে এবং তিনি ভিসা আবেদনের সাথে আমন্ত্রণপত্র জমা দেবেন।

নেদারল্যান্ডের ভিসা

netherlands visa

ইউরোপের ক্ষুদ্র দেশ নেদারল্যান্ড। ইউরোপের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ দেশ এটি। দেশটি ইউরোপের সেনজেন এলাকাভুক্ত হওয়ায় স্বল্প মেয়াদী ভ্রমণের ক্ষেত্রে (সর্বোচ্চ ৯০ দিন) সেনজেন ভিসা নিয়েই নেদারল্যান্ড যাওয়া যায়, আর দীর্ঘ মেয়াদে যেতে হলে সাধারণ ভিসা নিতে হবে।

ঢাকাস্থ নেদারল্যান্ড দূতাবাস থেকে সেনজেন ভিসা দেয়া হয় না। নেদারল্যান্ড যেতে সেনজেন ভিসা নিতে হবে সুইডেন দূতাবাস থেকে। তবে চাকরি, পড়াশোনা বা অন্য কোন প্রয়োজনে নেদারল্যান্ডের দীর্ঘমেয়াদী (৯০ দিনের বেশি) ভিসার জন্য আপনাকে নেদারল্যান্ড দূতাবাসেই যেতে হবে।

সেনজেন ভিসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে সেনজেন ভিসা সংক্রান্ত প্রতিবেদনটি দেখুন।

 

নেদারল্যান্ড ভ্রমণের জন্য সেনজেন ভিসা আবেদনপত্র জমা দেয়ার সময় যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন হবে:

  • পূরণকৃত সেনজেন ভিসা আবেদন ফরম, এটি দূতাবাসে বিনামূল্যে দেয়া হয় এবং ওদের ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।
  • পাসপোর্ট বা অন্য কোন ধরনের অনুমতিপত্র:
  • পাসপোর্টের ফটোকপি: ব্যক্তিগত তথ্যের পৃষ্ঠা, আগে ভিসা ইস্যু হয়ে থাকলে সে পৃষ্ঠা এবং পুরনো পাসপোর্ট থাকলে তার কপি,
  • অন্যান্য শর্ত: পাসপোর্ট ১০ বছরের বেশি পুরনো হওয়া যাবে না। সেনজেন এলাকা ছাড়ার সময় পাসপোর্টের মেয়াদ অন্তত ৩ মাস থাকতে হবে। পাসপোর্টে অন্তত দু’টি ফাঁকা পৃষ্ঠা থাকতে হবে।
  • সাক্ষরসহ কোন পরিচিতিপত্র,
  • কোন অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশু একা কিংবা বাবা-মায়ের কোন একজনের সাথে ভ্রমণের ক্ষেত্রে আরও কিছু কাগজপত্র প্রয়োজন হবে:ছয় মাসের বেশি পুরনো নয় এমন পাসপোর্ট সাইজের (৩৫×৪৫ মিলিমিটার) ছবি।
    • জন্মসনদের কপি,
    • বাবা-মা প্রত্যেকের আলাদা আলাদা পরিচিতিপত্র (সাক্ষরসহ),
    • শিশুর ভ্রমণে সম্মতি আছে এই মর্মে বাবা-মা উভয়ের সাক্ষরিত সম্মতিপত্র,
    • এছাড়া কোন কোন ক্ষেত্রে বাবা অথবা মা কে শিশুর দায়িত্ব নিতে পারবেন এই মর্মে আদালতের নির্দেশের কপি এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছুটি মঞ্জুর করেছে এই মর্মে অনুমতিপত্র প্রয়োজন হতে পারে।
  • ট্রাভেল রিজার্ভেশন (টিকেট নয়)। প্রয়োজনে বাতিল করে দেয়া যায় এমন রিজার্ভেশন দেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়।
  • আপনি সেনজেন এলাকা ভ্রমণে শেষে কোথায় যাবেন সেটি জানাতে হবে। এজন্য পাসপোর্ট, অন্যদেশের ভিসা বা অন্য কোন ট্রাভেল ডকুমেন্ট দেখাতে পারেন।
  • আপনার নামে হেলথ ইনস্যুরেন্সের থাকার প্রমাণ দিতে হবে। এই ইনস্যুরেন্স সেনজেন এলাকায়ও প্রযোজ্য হতে হবে এবং অন্তত ৩০,০০০ ইউরো মূল্যের ইনস্যুরেন্স হতে হবে। হাসপাতাল ও চিকিৎসার খরচ, জরুরি চিকিৎসার খরচ এবং প্রয়োজনে দেশ ফেরত আসার খরচ ইনস্যুরেন্সের আওতায় থাকতে হবে। আপনার হেলথ ইনস্যুরেন্সের আওতায় এসব খরচ বহনের কথা না থাকলে আলাদাভাবে ট্রাভেল ইনস্যুরেন্স প্রয়োজন হবে।
  • নিজ দেশে ফেরার নিশ্চয়তা হিসেবে:ভ্রমণের সময় হোটেল রিজার্ভেশনের প্রমাণ দিতে হবে।
    • চাকুরিদাতার কাছ থেকে নিজ দেশে চাকরি থাকার প্রমাণ দিতে হবে,
    • শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে নিজে দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করছে এমন প্রমাণ দিতে হবে,
    • নিজ দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সন্তানেরা পড়াশোনা করছে এমন প্রমাণ দিতে হবে,
    • স্থাবর সম্পদ আছে এমন প্রমাণ দেখাতে হবে।
  • ৩ টি সাম্প্রতিক ব্যাংক স্টেটমেন্ট দিতে হবে।
  • চাকুরীজীবী হলে ছুটি দেয়া হয়েছে এই মর্মে ঘোষণাপত্র প্রয়োজন হবে।

পরিবারের সদস্য বা বন্ধুবান্ধবদের সাথে দেখা করতে সেনজেন ভিসার আবেদনের ক্ষেত্রে আরও যেসব কাগজপত্র লাগবে:

  • সেখানে আপনাকে ভ্রমণের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে এর প্রমাণপত্র এবং থাকার ব্যবস্থা সংক্রান্ত তথ্য। এ সংক্রান্ত একটি ফরম পূরণ করে নেদারল্যান্ডের সংশ্লিষ্ট অফিসে জমা দিতে হবে (আপনার স্পন্সর জমা দেবেন)।
  • স্পন্সরের ভ্রমণ ব্যয় বহন করার সংগতি আছে এরূপ প্রমাণ প্রয়োজন হবে। তার অন্তত ১২ মাস চাকরির মেয়াদ আছে এমন প্রমাণ প্রয়োজন হবে। স্পন্সরের সর্ব-সাম্প্রতিক তিনটি পে স্লিপ অথবা উপার্জনের অন্য কোন প্রমাণপত্রও প্রয়োজন হবে।
  • আপনি নিজে ভ্রমণ ব্যয় বহন করলে আপনার ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রয়োজন হবে।
  • যার সাথে দেখা করতে যাচ্ছেন তার সাথে আত্মীয়তার সম্পর্ক থাকলে তার প্রমাণপত্র প্রয়োজন হবে।

ব্যবসা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, খেলাধুলা বা এধরনের কাজে সেনজেন ভিসার আবেদন করলে যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন হবে:

  • হোটেলে থাকার পরিকল্পনা করলে হোটেল রিজার্ভেশনের প্রমাণপত্র,
  • নেদারল্যান্ড যাওয়ার আমন্ত্রণপত্র,
  • আপনার চাকুরী এবং নেদারল্যান্ড যাওয়ার উদ্দেশ্যে উল্লেখ করে চাকুরীদাতার দেয়া পত্র,
  • সর্বোপরি ভ্রমণব্যায় আপনি না আমন্ত্রণকারী কে বহন করছেন তা স্পষ্ট হতে হবে,
  • সেলফ এমপ্লয়েড হলে ট্যাক্স নম্বর, বিজনেস লাইসেন্স এবং আয়কর রিটার্নের কপি প্রয়োজন হবে।

নেদারল্যান্ডের ভিসা সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে দেখুন:

https://www.government.nl/topics/visa-for-the-netherlands-and-the-caribbean-parts-of-the-kingdom

থ্রি ডক্টরস (3 Doctors) একাডেমী

থ্রি ডক্টরস একাডেমী (মেডিকেল ভর্তি কোচিং)

৭৮, গ্রীন রোড (৩য় তলা), ফার্মগেট, ঢাকা।

ফোন নম্বর: +০২-৯১৩১৯৮৩

মোবাইল : +৮৮০১৮১৯-২৯০৩৮৫,০১৮১৯-২১৮৮৪৬,০১৭১৬-২১৪৪০৪

ওয়েবসাইট

আমাদের শাখাসমূহ


 

টিউটর

আপনি কি আপনার বাসায় মানসম্মত শিক্ষক রেখে আপনার ছেলে/মেয়েকে পড়াতে চান তাহলে  নিচের লিংকে ক্লিক করে বুয়েট, মেডিকেল, ঢাবিসহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত গৃহ শিক্ষক নিয়োগ দিন: পড়াতে চাই

 

আপনি কি টিউশনি খুজছেন? তাহলে আর দেরি নয় এখনই নিচের লিংকে ক্লিক করে আপনার যোগ্যতানুযায়ী টিউশনি খুজুন: পড়তে চাই